কুড়িগ্রাম পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়ার নুরনবী শারীরিক প্রতিবন্ধী।
চোখে স্বল্প দেখেন এবং তার এক পা ভাঙ্গা।
আমি ও আমার বন্ধু মারজান তখন জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ভাইয়ের অফিসে পাশের চেয়ারে বসা।
আজ ছিলো ঈদের আগে শেষ কর্ম দিবস।
৩০ জনেরও অধিক সুবিধা ভোগী এসেছেন তার অফিসে অনুদানের চেক নেওয়ার জন্য।সবাই কে বিদায় করে দিলেন।
এরপরে নুরনবীর সাথে একেবারেই সহজ সরল এবং গভীর ভালবাসা নিয়ে কথা বললেন।
নুরনবী শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্বেও তার সাথে অত্যন্ত সৌহার্দ্য ও গুরুত্বের সাথে কথা বললেন।
নুরনবী তার সমস্যার কথা সোহেল ভাইকে অবলীলায় জানালো এবং খুব জোর দিয়ে সেটা সমাধানের দাবী জানালো।
ঈদের পরে আবার দেখা করতে বলে সোহেল ভাই পকেট থেকে চারশত টাকা বের করে নুরনবীর হাতে দিলেন।
এরপর ফুলবাড়ী উপজেলার আতাউর রহমান তাঁর চাচার এপেন্ডিসাইট এর অপরেশন তার ক্লিনিকে করিয়েছেন।ক্লিনিকের বিল কমানোর জন্য তার কাছে আসলেন।
আতাউর কে সোহেল ভাই বললেন বল কত টাকা কমাবো আতাউর বললেন দুই হাজার টাকা হলে হবে।সঙ্গে সঙ্গে পকেট থেকে দুই হাজার টাকা বের করে দিয়ে রশিদে কমিয়ে দিয়ে নগদ টাকা সহ ক্লিনিকে যেতে বললেন।ব্রীজের পাড় থেকে এক গৃহবধু তার ছোট্ট একটা বাচ্ছা সহ এসে তার কাছে আর্থিক সহযোগীতা চাইলেন তাকেও পকেট থেকে দুইশত টাকা বের করে দিয়ে বিদায় দিলেন।এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মী সহ আরও সাধারণ কিছু মানুষ তার সুপারিশের জন্যে আসেন।
সবার সাথে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিলেন।
একজন দলের নেতা থেকে কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর নেতা হিসাবে সবার আস্থার প্রতীক হয়ে যাচ্ছেন সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ।
জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জননেতা জাফর আলী যেভাবে কুড়িগ্রাম জেলাবাসীকে নিজের একটি পরিবার করে তুলেছিলেন।
ঠিক আজ সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ভাইকেও জননেতা জাফর আলী ভাইয়ের মতো পুরা কুড়িগ্রাম জেলাবাসী কে নিজের পরিবারের অংশ হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলে সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ভাইয়ের মতো সদালাপী,সৎ,সজ্জন,বিচক্ষণ ও পরহেজগার এবং মানবিক নেতা খুবই প্রয়োজন।
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এবং কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ভাই দলমত নির্বিশেষে কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর শান্তির প্রতীক হিসাবে সবার আস্থাভাজন হবেন সেই প্রত্যাশা থাকবে আপামর সাধারণ মানুষের।
বি:দ্র:আমি এবং আমার বন্ধু মারজান তার সাথে শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম কিছু চাওয়ার জন্য বা বলার জন্য নয়।
তার এই উদারতা দেখে আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে মুগ্ধ হয়ে গেছি।সেই দায়বদ্ধতা থেকে আমার প্রত্যক্ষদর্শন ফেসবুক বন্ধুদের সাথে শ্যায়ার করলাম মাত্র।
পরে বন্ধু মারজান কে তার গাড়ি তে উঠতে বললো বাসায় নিয়ে গিয়ে লাঞ্চ করাবে কিন্তু মারজানের অন্যখানে জরুরি একটা কাজ থাকায় সোহেল ভাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চলে আসি।




