বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৩২ AM

সিংগাইরে রাতের আধারে পেপে ও করলা গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ, ক্ষতি প্রায় ১৫ লাখ টাকা

প্রকাশিত: 14:02
March 9, 2026
পোস্ট কারি:ডেস্ক

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পূর্ব বিরোধের জেরে এক কৃষকের কৃষি বাগানের বিভিন্ন গাছ কেটে ও চারা উপড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিংগাইর পৌর এলাকার কাংশা গ্রামের বাসিন্দা মো. সোলাইমান মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়ির পাশের প্রায় ৭০ শতাংশ জমিতে পেঁপে ও বিভিন্ন সবজি চাষ করে আসছিলেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একই এলাকার আলোক (৩৫), মালেক (৩২) ও ইব্রাহিম (৪৫) সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৪ মার্চ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটের দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে সোলাইমান মুন্সির জমিতে প্রবেশ করে সেখানে থাকা প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের পেঁপে গাছ তুলে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে জমিতে থাকা প্রায় ২ হাজার টাকা মূল্যের পেঁয়াজের চারা তুলে নেওয়া হয় এবং প্রায় ২০ শতাংশ জমিতে থাকা করলার গাছ গোড়া থেকে কেটে ফেলে রাখা হয়। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সোলাইমান মুন্সির ছেলে রাশেদুল হক রানা (২৩) ও তাদের শ্রমিক আমিনুর ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা রানাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে তারা রানার ওপর হামলা চালিয়ে কিল-ঘুষি ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে আহত করার চেষ্টা করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তদের একজন তার হাতে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে রানাকে আঘাত করেন এবং অপর একজন ধারালো কাচি দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে সাথে থাকা আমিনুর বাধা দিলে রানা প্রাণে রক্ষা পান। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যায় বলে অভিযোগে বলা হয়।

কাংশা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, এর আগেও আলোককে কাংশা গ্রামে নারী কেলেংকারীর ঘটনায় সমাজ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিলো। ও অধিকাংশ খারাপ কাজের মূল হুতা হিসেবে উপস্থিত থাকে।

এ ঘটনায় কৃষক সোলাইমান মুন্সি বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সিংগাইর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তকারী আলোক বলেন, আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা।

এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি ঘটনাস্থল তদন্ত করা হয়েছে। বাকি বিষয় প্রক্রিয়াধীন।

সিংগাইরে রাতের আধারে পেপে ও করলা গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ, ক্ষতি প্রায় ১৫ লাখ টাকা

প্রকাশিত: 14:02
তারিখ: March 9, 2026
পোস্ট কারি: ডেস্ক

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পূর্ব বিরোধের জেরে এক কৃষকের কৃষি বাগানের বিভিন্ন গাছ কেটে ও চারা উপড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিংগাইর পৌর এলাকার কাংশা গ্রামের বাসিন্দা মো. সোলাইমান মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়ির পাশের প্রায় ৭০ শতাংশ জমিতে পেঁপে ও বিভিন্ন সবজি চাষ করে আসছিলেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একই এলাকার আলোক (৩৫), মালেক (৩২) ও ইব্রাহিম (৪৫) সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৪ মার্চ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটের দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে সোলাইমান মুন্সির জমিতে প্রবেশ করে সেখানে থাকা প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের পেঁপে গাছ তুলে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে জমিতে থাকা প্রায় ২ হাজার টাকা মূল্যের পেঁয়াজের চারা তুলে নেওয়া হয় এবং প্রায় ২০ শতাংশ জমিতে থাকা করলার গাছ গোড়া থেকে কেটে ফেলে রাখা হয়। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সোলাইমান মুন্সির ছেলে রাশেদুল হক রানা (২৩) ও তাদের শ্রমিক আমিনুর ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা রানাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে তারা রানার ওপর হামলা চালিয়ে কিল-ঘুষি ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে আহত করার চেষ্টা করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তদের একজন তার হাতে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে রানাকে আঘাত করেন এবং অপর একজন ধারালো কাচি দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে সাথে থাকা আমিনুর বাধা দিলে রানা প্রাণে রক্ষা পান। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যায় বলে অভিযোগে বলা হয়।

কাংশা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, এর আগেও আলোককে কাংশা গ্রামে নারী কেলেংকারীর ঘটনায় সমাজ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিলো। ও অধিকাংশ খারাপ কাজের মূল হুতা হিসেবে উপস্থিত থাকে।

এ ঘটনায় কৃষক সোলাইমান মুন্সি বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সিংগাইর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তকারী আলোক বলেন, আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা।

এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি ঘটনাস্থল তদন্ত করা হয়েছে। বাকি বিষয় প্রক্রিয়াধীন।